কৃষি বিপণন অধিদপ্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

কাঁঠাল প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে কাঁঠালের বহুমুখী ব্যবহার সম্প্রসারণ কর্মসূচি

কর্মসূচির নাম

:

কাঁঠাল  প্রক্রিয়াজাতকরণের  মাধ্যমে কাঁঠালের বহুমূখী ব্যবহার সম্প্রসারণ কর্মসূচি।

বাস্তবায়নকারী দপ্তর/সংস্থা    

:

কৃষি বিপণন অধিদপ্তর

কর্মসূচির বাস্তবায়নকাল

:

জুলাই/২০১৯ হতে জুন/২০২১

কর্মসূচির প্রাক্কলিত ব্যয়

:

২২৫.০০ লক্ষ টাকা

কর্মসূচির উদ্দেশ্য

:

গৃহ পর্যায়ে ও বাণিজ্যিক পর্যায়ে কাঁঠালের বহুমূখী ব্যবহার বৃদ্ধি, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য হিসাবে বাজার চাহিদা সৃষ্টি করা এবং সংরক্ষণ পদ্ধতি সম্প্রসারণ করার মাধ্যমে মূল্য সংযোজন ব্যবস্থা প্রবর্তনের মাধ্যমে এর বাজার উন্নয়ন ও জনগণের পুষ্টির উন্নয়ন সাধন করাই কর্মসূচীর মূল উদ্দেশ্য। কর্মসূচীর সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যাবলী নিম্নরূপঃ

১। দেশ ও বিদেশে  প্রচলিত কাঁঠালের বহুমূখী ব্যবহার বাংলাদেশে জনপ্রিয় করা ;

২। গৃহ পর্যায়ে ও বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কাঁঠালের বহুমূখী ব্যবহার সম্প্রসারণ করা ;

৩। কাঁঠালের ব্যবহার বহুমূখীকরণের উদ্দেশ্যে প্রযুক্তিগত ও বিপণন  সংক্রান্ত  প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা করা; 

৪। প্রযুক্তিগত ও বিপণন সহায়তা প্রদান করা ;

৫। বাজার উন্নয়ন, মূল্য সংযোজন  ও বিপণন প্রসার মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা ;

৬। প্রক্রিয়াজাতকরণ সুযোগ সুবিধা সৃষ্টির মাধ্যমে  কাঁঠাল প্রক্রিয়াজাত শিল্পের বিকাশ ঘটানো।

 

কর্মসূচীর আওতায় গৃহীতব্য  উল্লেখযোগ্য কার্যাবলীর সংক্ষিপ্ত বিবরণ

:

ক) কাঁঠাল অধিক উৎপাদনকারী ৫ জেলার প্রতি জেলায় ১০টি করে মোট ৫০টি গ্রুপ গঠন করা। প্রতিগ্রুপে সদস্য সংখ্যা হবে ১৫ জন। গ্রুপভূক্ত মোট কৃষকের সংখ্যা হবে ৭৫০ জন।                                       

খ) গ্রুপভূক্ত ৭৫০ জন কাঁঠাল চাষীকে প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্যাকেজিং, সংরক্ষণ ও বিপণন কলাকৌশল সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান।

গ) প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্যাকেজিং ও সংরক্ষণে কারিগরী সহায়তা প্রদান।

ঘ) কাঁঠাল প্রক্রিয়াজাতকরণের নিমিত্ত অধিদপ্তরের অফিস কাম প্রসেসিং সেন্টারে ০৪টি (গাজীপুর (ঢাকা), নরসিংদী, রংপুর ও রাঙ্গামাটি (চট্টগ্রাম) জেলায়) কাঁঠাল ডিহাইড্রেশন প্লান্ট স্থাপন ।

ঙ) বাজার উন্নয়নমূলক কার্যক্রম (বিজ্ঞাপন, প্রচার, প্রসারমূলক কার্যক্রম) ।

চ) বিপণন সমস্যার সমাধান, আন্তসংযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে  শিক্ষা ও শিক্ষণ উপকরণ বিতরণ। (হোল্ডিং-৫০টি, কাঁঠালের বহুমুখী ব্যবহার ও সংরক্ষণ কলা কৌশল সম্পর্কিত যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম)।

 

কর্মসূচি  এলাকায়

:

টাঙ্গাইল, গাজীপুর, নরসিংদী,  রংপুর,  রাঙ্গামাটি।

কর্মসূচির আর্থিক অগ্রগতি

:

পিপিএনবি বরাদ্দ

কর্মসূচি শুরু থেকে ৩০ শে জুন ২০১৮ পর্যন্ত ক্রমপুঞ্জিত অগ্রগতি

৩০ শে জুন, ২০১৯ পর্যন্ত ক্রমপুঞ্জিত অগ্রগতি (%)

মোট ব্যয়

অগ্রগতি (%)

 

২২৫.০০  ০%

০%

০%

০%


Share with :

Facebook Facebook